৪৫০টি পিঠা, ৪০টি পেয়ারা, এক কেজি বড় চিংড়ি মাছ,নেওয়ার পরও তার শাশুড়ি খো’/টা দিয়ে…more

 




৪৫০টি পিঠা, ৪০টি পেয়ারা, এক কেজি বড় চিংড়ি মাছ, এক কেজি আপেল, ৮টি ড্রাগন ফল, ৪ কেজি তেলাপিয়া মাছ আর ৩ কেজি দুধ নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন সিফাতুন নুর!

এত কিছু নেওয়ার পরও তার শাশুড়ি খোঁটা দিয়ে বলছে “এতো কম নাস্তা কেন!” 




 


ভাই, এগুলো যদি কম নাস্তা হয়, তাহলে বেশি নাস্তা বলতে আর কত কিছু নিয়ে যেতে হবে? এত খাবার কি একটা পরিবারের জন্য যথেষ্ট নয়?

সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, সিফাতুন নাকি শ্বশুরবাড়িতে যেতে চায়নি। তারপরও তাকে জোর করে পাঠানো হয়েছিল। এখানে তার মা-বাবার ও দোষ দিব৷



মা-বাবাদের কাছে একটা প্রশ্ন! আপনারা কেন বোঝেন না, মেয়েকে জোর করে শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না?

আপনারা ভাবেন, মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে না গেলে সমাজে কথা উঠবে, সংসার ভেঙে যাবে, মানসম্মান নষ্ট হবে। কিন্তু একবারও কি ভাবেন, যে মেয়ে এত কিছুর পরও সেখানে যেতে ভয় পাচ্ছে, তার ভয়টার কারণ কী?



মেয়ের সংসার টিকিয়ে রাখার চিন্তা করতে গিয়ে যদি মেয়ের জীবনটাই ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেন, তাহলে সেই সংসার টিকিয়ে রাখার অর্থ কী?



একটা মেয়ের জীবন কোনো সামাজিক মানসম্মানের চেয়ে ছোট নয়। সংসার ভেঙে গেলে আবার জীবন গুছিয়ে নেওয়া যায়, 


কিন্তু জীবনটাই যদি হারিয়ে যায়, তাহলে সেই ক্ষতি কোনোভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়! 🙂 




Comments

Popular posts from this blog

জীবনের সাথে যু”দ্ধ করে অবশেষে আজ 7:30 চির বি’দায় নিলেন আমাদের প্রিয়… more

আর দেখা যাবে না গোলাম মাওলা রনিকে...see more

বিয়ের আগে যে মেয়েরা স'হ'বাস করেছে...more